নাজিরহাটে নতুন মাদ্রাসা খুললেন বহিষ্কৃত সলিম উল্লাহ!

প্রকাশিত: ৬:৫০ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ১, ২০২০

নাজিরহাটে নতুন মাদ্রাসা খুললেন বহিষ্কৃত সলিম উল্লাহ!

 

হালদা-২৪ ডেস্ক :

নাজিরহাট বড় মাদ্রাসা থেকে বহিষ্কার হয়ে নতুন মাদ্রাসা খুললেন আলোচিত-সমালোচিত হেফাজত নেতা মাওলানা সলিম উল্লাহ। ৩১ অক্টোবর শনিবার সকালে তিনি নাজিরহাট পৌরসভার ডাইনজুরী রাস্তার মাথা এলাকায় একটি কমিউনিটি সেন্টারে নতুন এ মাদ্রাসার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।

জানা যায়, নাজিরহাট পৌরসভার আজম রোড সংলগ্ন একটি তিনতলা ভবন ভাড়া নিয়ে তিনি এ মাদ্রাসার কার্যক্রম শুরু করেন। মাদ্রাসাটির নাম দেয়া হয়েছে আল-জামিয়াতুল ফারুকীয়া নাজিরহাট মাদ্রাসা। মাদ্রাসাটিতে যুক্ত হয়েছেন নাজিরহাট বড় মাদ্রাসা থেকে সলিম উল্লাহর সাথে বহিষ্কৃত ১২ শিক্ষকও। ১ নভেম্বর থেকে এ মাদ্রাসা পাঠদান ক্রার্যক্রমে যাচ্ছে বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে।

উল্লেখ্য, কিছুদিন আগ থেকে নাজিরহাট বড় মাদ্রাসার মুহতামিম (পরিচালক) পদ নিয়ে দু’ পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। এ নিয়ে মারামারি, ধাওয়া- পাল্টা ধাওয়া, মামলা মোকাদ্দমার ঘটনাও ঘটে। উদ্ভুত পরিস্থিতিতে ‘মুহতামিম’ দাবিদার মাওলানা সলিম উল্লাহ এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন ২৪ অক্টোবর দুপুরে। ওই দিন ছাত্রদের একাংশ মাওলানা সলিম উল্লাহকে ‘মুহতামিম মানি না, শূরা চাই, শূরা চাই’ মর্মে স্লোগান দিতে থাকে। একপর্যায়ে ছাত্রদের একটি অংশ স্লোগানধারীদের সরিয়ে দিতে চাইলে উভয়পক্ষ হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়ে। এরপর সলিম উল্লাহ অবস্থা বেগতিক দেখে দ্রুত স্থান ত্যাগ করে নিজের কক্ষে অবস্থান নেন। এক পর্যায়ে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের চাপের মুখে তিনি মাদ্রাসা থেকে সরে যেতে বাধ্য হন। ওইদিন সন্ধ্যার দিকে স্থানীয় সাংসদ সৈয়দ নজিবুল বশর মাইজভান্ডারী ঘটনাস্থলে এসে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের দ্রুততম সময়ের মধ্যে ‘শূরা বৈঠক’ হবে জানিয়ে আশ্বস্ত করেন। সেই আলোকে ২৮ অক্টোবর শূরা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে মাওলানা সলিম উল্লাহসহ ১৩ শিক্ষককে বহিস্কার করে মাওলানা হাবিবুর রহমান কাসেমীকে মুহতামিম মনোনীত করা হয়। এদিকে, মাওলানা সলিম উল্লাহ’র তড়িগড়ি করে নতুন মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা নিয়ে এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

Share via
Copy link
Powered by Social Snap